কে
কে?
কে?
কে?
সৃষ্টি শুরুর প্রশ্ন এমন ছিল আজও আছে
কেনো একদিন জয়-পরাজয়ের প্রশ্নও এমন হবে।
যদিও আষাঢ় পেরিয়ে যেতেই হুরহুরিয়ে ঢুকে বন্যার পানি
বিলের মাছগুলো হারিয়ে যায়— ঢুকে যায় মাছুয়ার জালে
অরণ্য থেকে বরাহের বাচ্চাগুলো ক্যাঁ-ক্যাঁ করে পথ খুঁজে
নুয়ে পড়ে পালংশাকের শিকড়-বাকড়—
বিবিধ পোকামাকড়ের বিতিকিচ্ছিরি জীবন।
তবুও ঘর হেঁটে যায় ঘরে, ঘর যায় ওঘরের বারান্দায়
দরজা খুলে থাকে হাওয়ায় ক্যাঁচক্যাঁচ ব্যাথার সয়লাব
আরশোলার যেমন তেলেসমাতি টিকটিকির ঠোঁটে
পিঁপড়ের সারি গন্তব্য এখন লাশের স্তুপে
লাশের বুকে ছিদ্র— ছিদ্রের বুকে কেমন যেন গর্ত
রক্তাক্ত
তাবৎ সমীক্ষা শেষে তবুও জিজ্ঞাসা আমি কে?
কে?
অতএব নিরুত্তর সমাবেশ বৃক্ষ-মাটি-জল, শস্যের দানা
কিংবা ওই যে সকাল— আলোতে আলোর শান বাঁধনো ঘাট
ভোরে ঝরে যাওয়া শিউলি, শালিকের ঠোঁট
বিড়ালের সম্পর্ক নিয়ে একটু-আধটু 'কে' হয়ে পথ চলা
তারপর আবার আবার সেই কক্ষপথ— সেই গ্যালাস্কি
নতুন জলসীমা নতুন মানচিত্র
তবুও নিরন্তর জিজ্ঞাসা— বৃষ্টির পর ভেজা মাটিতে কে?
কেউ নয়
শুধু শূন্য
তবুও রোদের আলোয় এ যেন অহির আলো খেলেছে দুপুর
তবুও
কে?
কে?
কে?
কে?
কে?
সৃষ্টি শুরুর প্রশ্ন এমন ছিল আজও আছে
কেনো একদিন জয়-পরাজয়ের প্রশ্নও এমন হবে।
যদিও আষাঢ় পেরিয়ে যেতেই হুরহুরিয়ে ঢুকে বন্যার পানি
বিলের মাছগুলো হারিয়ে যায়— ঢুকে যায় মাছুয়ার জালে
অরণ্য থেকে বরাহের বাচ্চাগুলো ক্যাঁ-ক্যাঁ করে পথ খুঁজে
নুয়ে পড়ে পালংশাকের শিকড়-বাকড়—
বিবিধ পোকামাকড়ের বিতিকিচ্ছিরি জীবন।
তবুও ঘর হেঁটে যায় ঘরে, ঘর যায় ওঘরের বারান্দায়
দরজা খুলে থাকে হাওয়ায় ক্যাঁচক্যাঁচ ব্যাথার সয়লাব
আরশোলার যেমন তেলেসমাতি টিকটিকির ঠোঁটে
পিঁপড়ের সারি গন্তব্য এখন লাশের স্তুপে
লাশের বুকে ছিদ্র— ছিদ্রের বুকে কেমন যেন গর্ত
রক্তাক্ত
তাবৎ সমীক্ষা শেষে তবুও জিজ্ঞাসা আমি কে?
কে?
অতএব নিরুত্তর সমাবেশ বৃক্ষ-মাটি-জল, শস্যের দানা
কিংবা ওই যে সকাল— আলোতে আলোর শান বাঁধনো ঘাট
ভোরে ঝরে যাওয়া শিউলি, শালিকের ঠোঁট
বিড়ালের সম্পর্ক নিয়ে একটু-আধটু 'কে' হয়ে পথ চলা
তারপর আবার আবার সেই কক্ষপথ— সেই গ্যালাস্কি
নতুন জলসীমা নতুন মানচিত্র
তবুও নিরন্তর জিজ্ঞাসা— বৃষ্টির পর ভেজা মাটিতে কে?
কেউ নয়
শুধু শূন্য
তবুও রোদের আলোয় এ যেন অহির আলো খেলেছে দুপুর
তবুও
কে?
কে?
পানিফল
আলোচনা হোক—
মশগুল রাতের পেরেকে বিঁধে রাখা মন।
সংসারে অসারে গুছিয়ে রাখা পদ্মে
বইগুলো তন্নতন্ন করে খুঁজেছি...
আমি—
আমার জন্য শুকিয়ে কাঠ যেমন মান্দাসে ভাসে।
ভুলে গেছো অনিন্দিতা— ভুলে যাও।
দেখো হাওড়ের পানিতে মৃত শাপলার হাতছানি
যদিও পানিফল ডেকে আনে আজও
করোটিতে বরফের ছায়াছবি।
যে দিকে তাকাই শূন্য/ধূসর শুন্যতা।
এমন কি ভাতের থালা—
সবুজ মাঠ →ঘরদোর →রাজনৈতিক পাঠ→
↓
↓
যীশুর জন্মানো মাটি
আপেল
আর
আঁধারে নিমজ্জিত একের দুই আর দুইয়ের মধ্যকার সম্পর্ক...
যেন গোয়ালঘর।
জানি ঈশ্বরও তেমন বেহুদায় ঘুরে— এদিকে ওদিকে
ধর্ম আর তত্ত্বে > রক্তে রঞ্জিত পথ আর দেবতা।
শূন্য আর শুন্যের প্রার্থনায় নিবিষ্ট কাগজের দস্তানা
অর্ডার অর্ডার ক্ষুধারা চুপসে যাক— ভিজে যাক
হৃদয়ের ক্ষতগুলো।
ক্ষুধা আর খিদেতে মানুষের হাতগুলো— পাখির ছানা
চোখে জ্বলে ভাতের দানা...
কিংবা
চাঁদের মতো পোড়ারুটি কুকুরেরও শূন্য জীবন।
ঈশ্বর ভাজে ইলিশের ডিম> পাবদায় নুন
↓
মানুষের বিয়োজন পদ্ধতি সঠিক মার্কায় এগুক
বিড়াল আর ইঁদুরের যোগফল আজ এক হোক
নিবে যদি যায় যাক আইনুদ্দিনের খাবারের টেবিল।
রাষ্ট্রীয় মর্গে চাঁদের আলোয় দেখবো একদিন
জল আর জ্যোৎস্নায় ভরা সুদিন
যেমন দেখিএঘরে ওঘরে শবের দেহে তারাদের ছবি।
জীবন্ত ক্ষেত্রপাল আগুনের গান
এমন যেমন—
ক্রুশবিদ্ধ জীবন আয়াত নাকি তনু?
তবুও মনে রেখো... এ জীবন আমার
শূন্য শূন্য আর শূন্য।
মানুষের হাত-পা পিঁপড়ের মতো
কোনো কথা হয়নি কখনও কারো সাথে
শুধু দেখেছি মানুষের হাত-পা পিঁপড়ের মতো
সাপের মতো কিলবিল করে শরীর।
তবুও
কোনো প্রতিশ্রুতি দিইনি কখনও বৃক্ষের ছায়া
পুষ্কুনির জলে
শুধু কেঁপেছে ঠোঁট অপার ঘৃণায়...
তবুও রাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে গান ধরো—
নুয়ে পড়া কলমিলতার ডগায়
মাঠে-ঘাটে কাকসন্ধ্যায়।
অথচ সব ভুলে— একদিন
শহর পেরিয়ে যেতেই দেখি— আগুনের মুখ
জ্বলছে ঘর-বাড়ী আরও কিছু মানুষের মন।
জ্যোতির্ম্ময় মানেই আলো
জ্যোতির্ম্ময় মানেই আলো যেন শব্দের হরি— শ্রীহরি,
যেন অন্ধকারের বুক ফুঁড়ে জ্বলে আগুনের মতো
কিংবা রুপোলি জল আর মাছের মতে অন্যকিছু।
অথচ শরৎ শেষে কবিতায় হাওয়ারা নদীর ডাক শোনে,
শীতে ঘুম-ভাঙা কুয়াশার মতো শব্দে জাগে শৈশব—
কবির মতো আমিও খুলে দিই নিজের গোপন দরজা
কলম খাতা মননের উৎকর্ষতস
তবুও কবিতা চেনে কোথায় স্বর্গ-মর্ত্যের দগদগে ঘা।
অথচ জ্যোতির্ম্ময় জীবনের বিষাদকে ফুল বানিয়ে দেয়
আর হাসির ফাঁকে ফাঁকে অশ্রুকে মেখে দেয় জলরঙ
আমিও মাখি পেষ্টাল রঙ মাখি কবিতার শব্দে—
অথচ কথারা যেন শ্মশান মাড়িয়ে যায় বাবলীদের গ্রাম।
কবির কলমে বাবলীদের পাড়া জ্বলে, বাড়ী জ্বলে
গ্রামও জেগে ওঠে আগুনের তীব্রতায়
অথচ আমার ভিতরের মরা মানুষের মনটা নেড়ে-চড়ে
ভীষণ প্রতীক্ষায়—
মাঝে মাঝে মনে হয় জ্যোতির্ম্ময়— একটি নাম নয় যেন
যেন সুলতানপুরের একটা দীঘল মেঠোপথ।
যে পথ ধরে হাঁটলে রোজ রোজ শব্দ হয়ে আসে আলো,
আর সোনালি আলো— রূপ নেয় কবির কবিতায়।

0 মন্তব্যসমূহ