চেটিয়া হইচই উষর গ্রীষ্ম
তুমি আমাকে শ্যামলিমার কথা অনেক বলেছো
আমার মাটির উর্বরতা
বলেছো কতো সহজে দানামুক্তি পায় চারা
জানি আমি এই পলির স্নিগ্ধতা
ধূলিধূসরিত পাতার ক্লান্তি
চেটিয়া হইচই উষর গ্রীষ্ম
আরো সব ঘাম কাম ক্লিষ্ট খোঁয়াড়ের মহাবার্তা
কিন্তু আমি আর না
বন্ধু আমি চলে যাবো
তোমার দেহাভিযোজিত সেই মাঠে
মেরু অঞ্চলের নিকটবর্তী ফ্লেভারে
রেড ম্যাপল আর ওকের জঙ্গলে
তোমার বিষণ্ণতা আর স্মৃতিকাতরতার
ভূমিতে ক্লান্তি বিছিয়ে পড়ে থাকবো হাজারো দিন
হাত-পা— সমস্ত বুক ছুঁড়ে
তিনশত মাইলের ত্রিসীমানাতেও
আমাকে কেউ ডিস্টার্ব করবে না...
তুমি আমাকে শ্যামলিমার কথা অনেক বলেছো
আমার মাটির উর্বরতা
বলেছো কতো সহজে দানামুক্তি পায় চারা
জানি আমি এই পলির স্নিগ্ধতা
ধূলিধূসরিত পাতার ক্লান্তি
চেটিয়া হইচই উষর গ্রীষ্ম
আরো সব ঘাম কাম ক্লিষ্ট খোঁয়াড়ের মহাবার্তা
কিন্তু আমি আর না
বন্ধু আমি চলে যাবো
তোমার দেহাভিযোজিত সেই মাঠে
মেরু অঞ্চলের নিকটবর্তী ফ্লেভারে
রেড ম্যাপল আর ওকের জঙ্গলে
তোমার বিষণ্ণতা আর স্মৃতিকাতরতার
ভূমিতে ক্লান্তি বিছিয়ে পড়ে থাকবো হাজারো দিন
হাত-পা— সমস্ত বুক ছুঁড়ে
তিনশত মাইলের ত্রিসীমানাতেও
আমাকে কেউ ডিস্টার্ব করবে না...
কেন্দ্রাতিগ
চোখের সমক্ষে থাকো যদি—থালার
আদলে দেখি সূর্য। দূরে গেলে বিধেয়।
হরিৎ দৃশ্যের থেকে সরে বসে
সম্পূরকতার ছবি: পরাগের কেন্দ্রাতিগ
ঊনলোকি পষ্ট হলো! ফিরে কে?
যায় রোষে— এহেন হীনতায়
থিতু হতে চেয়ে আত্মপর বেগে
তরুণী নয়, কিশোরীও নয়
শুয়োরের বাচ্চা মহিলার দল
নিঃশেষিত করে গেলো একটা ল্যান্ডস্কেপকে...
কেনো
ব্যাকবেঞ্চেও পোষায় না
যদি আরো কোণে ঠেসে যেতে পারি
সীমানার দেয়াল উপচাতো;
হুড়মুড়িয়ে পড়ে যেতাম মলিন ঝোপে।
ডায়াস বা মঞ্চই ধরো
তা থেকে সুবাস ও সার বিলানো হয় সম্মুখে,
আর আকাঙ্ক্ষার ফুল
ভবিষ্যতের জন্য ফোটে।
আমি সে অডিয়েন্সে আস্থা রাখি
আশার ফুলে রাখি নিঃশ্বাস;
তথাপি দেয়াল ভেঙে
উপচে পড়েছে যে অযত্নের বাগানে,
তাকে কেন্দ্র করে প্রজাপতি ওড়ে
কেনো তুমি নিশ্চিত হতে পারো না
বিনায়কের ফুল সেখানেও ফোটে?
শাশ্বত
দীর্ঘ পরিকল্পনা ঘুচিয়ে একটা আইবিস
ওপর থেকে নেমে গেলো
বায়ুমণ্ডল থেকে নিচে মিশে গেলো সন্তর্পণে
তীর চিহ্নের উড়ন্ত দলের সাথে;
কেউ টের পেলো না
একসাথে উড়ে গেলো তারা আর্কটিক ধরে।
এই নেমে আসা—কেউ না জানার
সারারাত থাকিবে
বুঝবে শাদার ঔজ্জ্বল্য,
তারাপুঞ্জ ছোটো দেখায় তাদের নিরিখে।
তারপর ক্লান্তি ও ক্ষীণ হৃদয়ে কোথাও
সবার সাথে ঘুমাবে
আবার আইবিস ভোরের আগে
পিটি প্যারেডের ফেলোদের দেখে নেবে:
কাউকে না জাগিয়ে ফিরে যাবে ফের,
অনেক তারার শাদাকে ম্লান করে দিয়ে
নিজের ডানার গৌরবে
শাশ্বত অন্তরীক্ষে...
রুনু
অর্ধনিমীলিত দৃষ্টি বুজে যাক অথবা পূর্ণভাবে তাকাক। রুনু এই
চায়। আমি আছি মাঝামাঝি। রুনু এক সুতীব্র আলো; অনেক
নিষ্পেষণের পরেও ঠিকই এলায়ে পড়েছে আমার উঠানে,
আমাকে অন্ধভাবে মাখাতে চেয়ে ওম। বলেছে সে, চলে এসো।
টিকিট করে ফ্যালো কলকাতার। আমি তাকে বলতে পারি নি
শুধু, আমার সামর্থ্য বড়জোর গলির মোড়, যেখানে পথ
হারানোর শঙ্কায়, প্রেমিকাকে যে কেউ ছেড়ে যায় । অথচ
কথা ছিল রুনুর , নিরপেক্ষ যে-কোনো শহরেই রক্ষা করে
নেবার প্রিয় সংগোপন । আর খণ্ডণ আমার, এখনো কুঁকড়ে যাই
অন্য মুঠিতে দেখে পরিচিত হাত। সারল্য থেকে দূরে যেতে
পারি না। জানি, রুনু, দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে অন্য কারো
সাথে ধীরে নিবিষ্ট হয়ে যাবার। আমিও একদিন , কপর্দকশূন্য
পকেটে স্বপ্ন দেখতে চাই ভারত কিনে ফেলার টাকার।

0 মন্তব্যসমূহ