কফিন ও পাখিগুলো সাবলীল—
চোখ।
যারা যারা আলিঙ্গন এড়িয়েছে,
আর যারা
থেকে গেছে প্রস্থানের ভেতর;
তুমিও ধুলো শবে,
লেগে আছে ভঙ্গিমা।
তবুও বলো—
যুদ্ধ?
না কোনো জলাভূমি?
০৩ সেপ্টেম্বর ’২৫
•
যে কবিতা এখনো হেমন্তে দুলছে অবিরাম,
তার অগ্রসর থেমে গেছে নিখিল পর্বতে।
নিস্তার খুঁজে পাওয়া কোনো শব্দে,
সমস্ত ঋতু একে একে ফেঁকাসে হয়ে গেছে চোখের ভেতর।
হৃদয়ে আরও জন্ম নিয়েছে ফুল,
আরও ঝরে গেছে কলি হতে।
সন্ধ্যা অব্দি অপেক্ষা রেখেছে পাখি,
তারপর যাবতীয় আদর রেখে চলে এসেছে এমনই শতাব্দী।
১৩ সেপ্টেম্বর ’২৫
•
আমি দৌড়ালাম
পৃথিবীর সমস্ত শক্তি দিয়ে।
তারপর খবর এলো—এই শেষ,
রাষ্ট্র আর কোনো উত্তরে বসবে না।
আমি হাঁটলাম
ডারউইনের বিবর্তনে,
প্রজাতির উদ্ভব নিয়ে ভয়ে ভয়ে।
চক্ষু কপাল ভেবে
তাকিয়ে থাকে মুখের দিকে।
পাঁজর নিজেকে ভেঙে গিয়েছে,
পা ফেলার ফুরসত নেই অসুখে।
যেন অস্পর্শী,
উঠে গেছে সূর্য—
মানুষের হাত ও আনাগোনা ডিঙিয়ে।
গায় এমন কিছু কান,
ঘুরঘুর করছে কণ্ঠের কাছে।
সমস্ত অলসতা নিয়ে পড়ে রইল মাঠ
বুকের ঠিক দক্ষিণে—
তৃণাচ্ছন্ন, শুষ্ক।
যে যার মতো গুটিয়ে নিল আঙুল,
যেন হৃদয় পুড়ে আছে হৃদয়ের আঁচে।
১৫ আগস্ট ’২৫

0 মন্তব্যসমূহ