১.
হৈহল্লা ভাল্লাগে না;
ইচ্ছে করে ডুব দিয়ে থাকি তিন ফুট গভীর বেদনায়।
যেন বাসন্তী হাওয়া আমাকে ছুঁতে না পারে,
যেন নীরবতা আমাকে সাথী করে নেয়,
যেন যান্ত্রিকতা ভুলে যায় বিরহীত পিঙ্গল।
আমি এখানেই আছি —
বিচ্ছিন্ন শিশিরের শব্দে,
ঝরে যাওয়া মর্মর পাতায়,
দীর্ঘকাল নিদ্রাহীনতায়।
এই বিমর্ষ শীতের সকাল আমি চাই না,
এখানে পাখিরা জানেনা সুর,
নারীর পায়ে শূন্য নুপুর
আর সবটুকু ঝনঝন আমার বুকের ভেতর;
যেন ভেঙে যাচ্ছি, যেন চুরমার হয়ে যাচ্ছি
অভিশাপে, অবজ্ঞায়।
যেন যুবতীর স্নানের প্রতি ফোঁটায় কাফের হয়ে যাচ্ছি ভালোবাসায়।
অনেকেই আছে যাদের উৎসবমুখরতায় স্থির হয়ে গেছে সময়,
আতশবাজি ফোঁটায় আঙ্গুলের সামিয়ানায়।
উপহাস করে তাকায় ব্যর্থতার দিকে
এমনকি যাদের সমীহ করে চলে স্বয়ং রাত;
আর আমি নিঃসঙ্গতার কাছে আজীবন অপদস্ত হওয়া মানুষ,
আমার বুকের উপর পুলসিরাত!
হৈহল্লা ভাল্লাগে না;
ইচ্ছে করে ডুব দিয়ে থাকি তিন ফুট গভীর বেদনায়।
যেন বাসন্তী হাওয়া আমাকে ছুঁতে না পারে,
যেন নীরবতা আমাকে সাথী করে নেয়,
যেন যান্ত্রিকতা ভুলে যায় বিরহীত পিঙ্গল।
আমি এখানেই আছি —
বিচ্ছিন্ন শিশিরের শব্দে,
ঝরে যাওয়া মর্মর পাতায়,
দীর্ঘকাল নিদ্রাহীনতায়।
এই বিমর্ষ শীতের সকাল আমি চাই না,
এখানে পাখিরা জানেনা সুর,
নারীর পায়ে শূন্য নুপুর
আর সবটুকু ঝনঝন আমার বুকের ভেতর;
যেন ভেঙে যাচ্ছি, যেন চুরমার হয়ে যাচ্ছি
অভিশাপে, অবজ্ঞায়।
যেন যুবতীর স্নানের প্রতি ফোঁটায় কাফের হয়ে যাচ্ছি ভালোবাসায়।
অনেকেই আছে যাদের উৎসবমুখরতায় স্থির হয়ে গেছে সময়,
আতশবাজি ফোঁটায় আঙ্গুলের সামিয়ানায়।
উপহাস করে তাকায় ব্যর্থতার দিকে
এমনকি যাদের সমীহ করে চলে স্বয়ং রাত;
আর আমি নিঃসঙ্গতার কাছে আজীবন অপদস্ত হওয়া মানুষ,
আমার বুকের উপর পুলসিরাত!
২.
তারপর কবিতারা সন্ধ্যার বুকে কোলাজ নিয়ে ফিরবে।
দু-একটি স্ফুলিঙ্গের দায় মাথায় নিয়ে
মৌনতার ভাষা চর্চা করবো দু'জনে।
জলজ দর্পণে চূর্ণবিচূর্ণ অবয়ব দেখে জলাতঙ্ক রোগীর মতো কাতরাতে থাকবো;
তুমি হেসে উড়িয়ে দিবে সমস্ত দায়বদ্ধতা নিলাজ ভঙ্গিতে ।
আমি পারবো না একা হতে ঠিক—
কবিতার খাতায় ঘষবো কালিমালিপ্ত মুখ,
ক্রমাগত এঁকে যাবো শূন্যতার ছক।
এরই মাঝে পৃথিবী বদলাবে তার রুপ,
স্থগিত হবে ভ্রমরের অবাধ বিচরণ।
অথচ আমি কামনা করিনি কিছুই নস্টালজিক পূর্বাহ্ণে।
এমনসব সাপলুডুর কবিতার বিনিময়ে আমি কি চেয়েছি?
প্রেম, চুমু, প্রশংসা? কিছুই না!
নিঃসঙ্গ দুপুরগুলো ডিঙিয়ে আমি ও আমার কবিতার মুখ লুকিয়েছে মদের পেয়ালায়।
সেখানে মূলত অশ্রুত সাঁতার; লাস্যময়ীদের ছলনার অপূর্ব ইতিহাস।
তবু ভুলে থাকার ভাণ করেছি নিঃসঙ্গতার সার্কাস।
ভ্রমরের তোয়াক্কা না করেই
ফুটিয়েছি ফুল হৃদয়ে— বারোমাস।
তারপর কবিতারা সন্ধ্যার বুকে কোলাজ নিয়ে ফিরবে।
দু-একটি স্ফুলিঙ্গের দায় মাথায় নিয়ে
মৌনতার ভাষা চর্চা করবো দু'জনে।
জলজ দর্পণে চূর্ণবিচূর্ণ অবয়ব দেখে জলাতঙ্ক রোগীর মতো কাতরাতে থাকবো;
তুমি হেসে উড়িয়ে দিবে সমস্ত দায়বদ্ধতা নিলাজ ভঙ্গিতে ।
আমি পারবো না একা হতে ঠিক—
কবিতার খাতায় ঘষবো কালিমালিপ্ত মুখ,
ক্রমাগত এঁকে যাবো শূন্যতার ছক।
এরই মাঝে পৃথিবী বদলাবে তার রুপ,
স্থগিত হবে ভ্রমরের অবাধ বিচরণ।
অথচ আমি কামনা করিনি কিছুই নস্টালজিক পূর্বাহ্ণে।
এমনসব সাপলুডুর কবিতার বিনিময়ে আমি কি চেয়েছি?
প্রেম, চুমু, প্রশংসা? কিছুই না!
নিঃসঙ্গ দুপুরগুলো ডিঙিয়ে আমি ও আমার কবিতার মুখ লুকিয়েছে মদের পেয়ালায়।
সেখানে মূলত অশ্রুত সাঁতার; লাস্যময়ীদের ছলনার অপূর্ব ইতিহাস।
তবু ভুলে থাকার ভাণ করেছি নিঃসঙ্গতার সার্কাস।
ভ্রমরের তোয়াক্কা না করেই
ফুটিয়েছি ফুল হৃদয়ে— বারোমাস।
৩.
তোমার লাবণ্য,
শীতকালীন ফ্যান্টাসির মতো তুমুল জ্বর নিয়ে আসে।
আমি ইতস্তত বসে থাকি মধ্যাহ্নের রোদে।
দহন নেই ;
মুখস্থ সঙ্গম এড়িয়ে যায় দুপুরের ছায়া।
তবু হাওয়া আসে—
হৃদয়ে ছিটিয়ে দেয় বেদনার রেণু।
ভোরগুলোকে অস্বীকার করে ছুটে যাই অরণ্যে।
সেখানেও তুমুল অস্থিরতা ;
দেশলাই থেকে দাবানলের অনুরূপ সংশয়।
কেবল পত্র পতনের ভঙ্গিতে :
দুঃস্বপ্নে খসে পড়ে তোমার দু-চোখ ।
নাজেহাল লাগে হৃদয়ের অমীমাংসিত সত্য রোধন।
অক্ষরজ্ঞানহীন ছুটির ঘন্টার অপেক্ষায়,
অপরাহ্নের পিঠে বসে
তাকিয়ে থাকি বালিকা বিদ্যালয়ের বারান্দায়।
তোমার স্কার্ফে বিন্দু বিন্দু ঘাম
আমার ছেঁড়া বুকপকেট;
সঞ্চয়ের প্রশ্নে এগিয়ে আসে দুঃখের নিলাম!
তুমি হেঁটে যাও,
স্পর্শ লুফে নেয় ঘাস
আমার বুক ব্যাথা বাড়ে
ধুলো ওড়ে, তুমি মিলিয়ে যাও লাস্যময়ী তরুণীদের ভীড়ে।
অথচ
তোমাকে চোখের পাতা থেকে হারাতে চাই না বলে ঝাপসা দেখি পৃথিবীর বাকি সমস্ত নারীকে।

0 মন্তব্যসমূহ