১।

এই সুদীর্ঘ প্রেমে,আমি ভাসমান কচুরিপানা। 
নদীর একূল বয়,ওকূল বয়;অথচ আমি অপেক্ষার বাদলাতে কাদামাটি সেঁটে দি।

একটা দীর্ঘশ্বাস,আমাকে দলচূত করার জন্য যথেষ্ট। 
আর তুমি তাই করলে,আমাকে খাবলে নিয়ে দুম করেই আছড়ে ফেললে_
তোমার থেকে ইনফিনিটিভ গুন দূরে।

কড়ি গুনতে গুনতে গিলে ফেলেছি দশমাংশ।চিমটি দিয়ে তুলেছি,তোমার রেখে যাওয়া চুলের অংশ।
বিশ্বাস করো,শুধু এটুকুই আমার শেষ সম্বল। 

তোমার বসে থাকা বয়সের ধুলো মাখি আমার আদলে,
তোমার গুপ্ত পর্বতে ঢাল গড়ি দু ইঞ্চির বিপাকে। 

থাকো!ক্রাইসিস গড়ো।

এই ডেমোক্রেসি আমায় নেবে না,আমি জানি।
এই সুবিধাতন্ত্র আমায় ভোগ করতে দিবে না,তোমার আশীবিষ;আমি জানি।

পুনরাবর্তন তোমার শেষ ঠিকানা হলে,আমি বোতলজাত। 
সয়ে যাওয়া তোমার শেষ চাহিদা হলে,আমি ধর্ষিতা।
আর ক্ষয়রোগে তুমি আক্রান্ত হলে,আমি বোন মেরু!

এবার বলো?তোমার ডিমান্ড কত টাকার নোটে?

মোল্লা হাকাও,অম্ল ধরো,আত্মা হাতাও!

বলো কি পেলে?
বলো কয়টা ঔষধের নির্জাস তোমার নিউরন?

বলেছিলাম না,
ভয় কে জয় করো।
দুঃসাহস ত্যাগ করো;ত্যাগের মতো মহাপাপ তোমার মতো অ্যাকুরিয়ামে থাকা 
লোক জীবনে ও পারবে না।

বাদ দেও,মানুষ মাত্রই ঠকবাজ!

তবে,এই অপেক্ষা?তন্দ্রাহীনতা?
সমুদ্রে ভাসার জাগরণ? 
জঙ্গলে তোমারে সাধন!!
সবই কি আস্ফোলন? 

পৃথিবী মাত্রই বুকের ভিতর মোক্ষলাভ,
প্রেম নিবারন,
এক ঢোকে,একটা গোটা অন্ধত্ব উল্কা পিন্ডে স্থাপন। 



২।
মন যখন মেঘ করে বৃষ্টি হাতরায়
তখন,বিলের ধারে ইস্টদেব মোষ তাড়ায়।
ইহকাল,পরকাল ইজ ইকুয়েল টু জিরো!

একটা শান্ত আকাশ,হঠাৎ করেই বিভীষিকার ঘোরে
নির্ঘাৎ নিজেকে দূর্বিষহ করে, একপাক্ষিক ঘরে লুকায়।
প্রত্যেক টা দীর্ঘশ্বাস ইজ ইকুয়েল টু গুলিস্তানের মোড়ে চার টাকার সর্বনাশ! 

জোছনা চাই নি,ঝিনুক চাই নি
চেয়েছি বুনোহাঁস।
বৃত্তাকার পথে কেন্দ্রমুখী ধোঁয়ার কালক্ষেপণ করতে গিয়ে,কুড়িয়েছি ভৃঙ্গরাজ। 
মানে বুঝো?
১১ দিন পর তোমার ইকুয়েশন ইনফিনিটিভ!

তদারকি করা তোমার জায়েজ! 

নৈঃশব্দের টানাপোড়েনে
এই দীর্ঘ দূরত্ব আহামরি ক্ষুদার্তপনা নয়।
হ্যান্ড টু মাউথ!

বলো,বলো,কি করিলে ফকরা হুজুরের তাবিজ 
আমায় তোমার তুরুপ করবে?
বলো,কি করিলে এই মাথা ব্যাথা চিরতরে ভ্যানিস হবে?
এলাট্রল এড,নাপা এড,সাইকোপ্যাথের কি কি জানি ওষুধ আছে,সব এড 
এই ওষুধে কি ঘোর কাটবে?
নিঃশব্দে পৃথিবী নামক গাছের ডালে ফুল কি আর ফুটবে?
ফুল কি নিঃশব্দে ফোটে?
বলো না!

বলো,এ মেকানিজমে কতটুকু পাওনা আমার হবে?