অ-দৃশ্য, সু-দৃশ্য
শীত আসে, তুমি চলে যেতে থাকো
আমার ভান্ডারে এমন এত দৃশ্য জমে
তবু শীতের কবিতা লিখবে শুধু
চক্রবর্তীর ছেলে ভাস্করে?
আমার মনও ছিল বেনুবণ
তুমি তাতে দেখলে শিয়াল
তুমি সাররিয়াল!
যে পাপ করা যায় না বাস্তবে
সে পাপ কেন আসে স্বপ্নে?
ঘৃণা ঘন হলে প্রেমকে পাবে স্থির
শতাব্দী থেকে যে দুলছে হ্যামকে,
হামিংবার্ডের বাড়িতে-বাড়িতে।
অনিকেত আমাকে খুঁজতে গিয়ে
দিন ও রাতের মিলিত মরদেহে
তুমি জন্মাবে সে কোন ক্যারলে!
আমাদের কাউকে না পেয়ে
শীত এসে ফিরে যাবে হতাশ হৃদয়ে...
চিলতে
আমার ভান্ডারে এমন এত দৃশ্য জমে
তবু শীতের কবিতা লিখবে শুধু
চক্রবর্তীর ছেলে ভাস্করে?
আমার মনও ছিল বেনুবণ
তুমি তাতে দেখলে শিয়াল
তুমি সাররিয়াল!
যে পাপ করা যায় না বাস্তবে
সে পাপ কেন আসে স্বপ্নে?
ঘৃণা ঘন হলে প্রেমকে পাবে স্থির
শতাব্দী থেকে যে দুলছে হ্যামকে,
হামিংবার্ডের বাড়িতে-বাড়িতে।
অনিকেত আমাকে খুঁজতে গিয়ে
দিন ও রাতের মিলিত মরদেহে
তুমি জন্মাবে সে কোন ক্যারলে!
আমাদের কাউকে না পেয়ে
শীত এসে ফিরে যাবে হতাশ হৃদয়ে...
চিলতে
তাহিতি থেকে ঢাকায়
হেমন্ত ঘন হলো
পিয়াস অথবা পল গগ্যাঁর কান্নায়।
এত এত চোখে এঁটো হওয়া চাঁদ
কিংবা একলা তারার প্রপাত
সার্বভৌম সব কুয়াশার কারবার।
একসমুদ্র জলের তোড়া
ফুলের ভেতর চলেছে বজরা।
দৃশ্যের পর দৃশ্য ধামাকায়
আগুনের উপকূলে
ঊষর ছারখার;
তুষার তুষার
লুণ্ঠিত লুসিফার~
কথা ছিল
হেমন্ত ঘন হলো
পিয়াস অথবা পল গগ্যাঁর কান্নায়।
এত এত চোখে এঁটো হওয়া চাঁদ
কিংবা একলা তারার প্রপাত
সার্বভৌম সব কুয়াশার কারবার।
একসমুদ্র জলের তোড়া
ফুলের ভেতর চলেছে বজরা।
দৃশ্যের পর দৃশ্য ধামাকায়
আগুনের উপকূলে
ঊষর ছারখার;
তুষার তুষার
লুণ্ঠিত লুসিফার~
কথা ছিল
অনেক ঋতু ইতিমধ্যে আমার ভিতর পূঞ্জীভূত।
বহন করতে হবে এবারকার আরও কিছু এবং সম্ভাবনা রয়ে যাবে, সম্ভাবনার শেষ নেই যেহেতু। ঋতুভেদে আমার হবে বিভিন্নরকম মনের গঠন যারা কাঠামো ভেঙে নতুন কাঠামোর জন্য আমাকে প্রস্তুত করবে যেন বহু ব্যবহৃত একটাই চোখ দিয়ে সূর্যের সাক্ষাৎ রহিত করার প্ররোচনা দিতে পারে চাঁদকে। কিছু ফুল ফোটার আগে পুষ্পজনিত অসুখের ভয় দেখিয়ে সতর্ক করবে নাজুক নাকেদের। আরও কিছুকাল ভালো কবিতা লেখার কথা ছিল যাদের, তাদের কেউ কেউ এমনকি অনেকেই ঝরে যায় হুট করে যেমন আমার বন্ধু শারমিন বা নীলাব্জ, যাদের সঙ্গে কোনওকালেই দেখা হলো না কিন্তু দেখা হওয়ার কথা থেকে গেল। প্রতি পৃথিবীতে ঋতুভেদে, থেকে যাওয়ার মতো কিছু কথার জন্ম হয়ে থাকে হয়তো।
ভোরের ভাষা
এখন হেমন্ত
কুয়াশা ধীর ধীরে পাকছে,
তার আগে কাকের স্বরে
ভিজে যাচ্ছে আকাশ।
তুমি শুকনো কোনও বিছানায় শুয়ে
বাঁচতে চাইছ,
মরে যাওয়া তুলায় তৈরি বালিশ মাথায়।
বহন করতে হবে এবারকার আরও কিছু এবং সম্ভাবনা রয়ে যাবে, সম্ভাবনার শেষ নেই যেহেতু। ঋতুভেদে আমার হবে বিভিন্নরকম মনের গঠন যারা কাঠামো ভেঙে নতুন কাঠামোর জন্য আমাকে প্রস্তুত করবে যেন বহু ব্যবহৃত একটাই চোখ দিয়ে সূর্যের সাক্ষাৎ রহিত করার প্ররোচনা দিতে পারে চাঁদকে। কিছু ফুল ফোটার আগে পুষ্পজনিত অসুখের ভয় দেখিয়ে সতর্ক করবে নাজুক নাকেদের। আরও কিছুকাল ভালো কবিতা লেখার কথা ছিল যাদের, তাদের কেউ কেউ এমনকি অনেকেই ঝরে যায় হুট করে যেমন আমার বন্ধু শারমিন বা নীলাব্জ, যাদের সঙ্গে কোনওকালেই দেখা হলো না কিন্তু দেখা হওয়ার কথা থেকে গেল। প্রতি পৃথিবীতে ঋতুভেদে, থেকে যাওয়ার মতো কিছু কথার জন্ম হয়ে থাকে হয়তো।
ভোরের ভাষা
এখন হেমন্ত
কুয়াশা ধীর ধীরে পাকছে,
তার আগে কাকের স্বরে
ভিজে যাচ্ছে আকাশ।
তুমি শুকনো কোনও বিছানায় শুয়ে
বাঁচতে চাইছ,
মরে যাওয়া তুলায় তৈরি বালিশ মাথায়।
মেদুর
অনাদি-অতীত রোদ
এখন ছায়া
ছায়া হয়তো না
যেখানে উপচে পড়ে
হতে পারে তা পৃথিবী
সেখানে
অনেক কয়টা বাজে মাঝেমাঝে
যেমন বিকাল সাড়ে ০৩টা
বাড়ি আছে যাদের
তাদের কেউ কেউ
প্রায়শই ভালোবাসে স্যানাটোরিয়াম
আর দু'একজন বসে থাকে
অনেক কাজ আছে
বেঁচে থাকা ও মরে যাওয়ার মেহনত আছে
তারা শুধু তাকিয়ে থাকে
স্থির দৃশ্যে তাদের চোখ অস্থির
প্রগাঢ় কুসুম-ঝরা বন
সেসব বিচলনের বিম্ব ধরে রাখে
ধারণা ও ধারণাতীত প্রবাহে-প্রবাহে~
এখন ছায়া
ছায়া হয়তো না
যেখানে উপচে পড়ে
হতে পারে তা পৃথিবী
সেখানে
অনেক কয়টা বাজে মাঝেমাঝে
যেমন বিকাল সাড়ে ০৩টা
বাড়ি আছে যাদের
তাদের কেউ কেউ
প্রায়শই ভালোবাসে স্যানাটোরিয়াম
আর দু'একজন বসে থাকে
অনেক কাজ আছে
বেঁচে থাকা ও মরে যাওয়ার মেহনত আছে
তারা শুধু তাকিয়ে থাকে
স্থির দৃশ্যে তাদের চোখ অস্থির
প্রগাঢ় কুসুম-ঝরা বন
সেসব বিচলনের বিম্ব ধরে রাখে
ধারণা ও ধারণাতীত প্রবাহে-প্রবাহে~

0 মন্তব্যসমূহ