কবিতার বৈঠক: তানহিম আহমেদের কবিতা


ধ্বংসের মধ্য দিয়ে যাত্রা
চোখ-কান গিলে ফেলছে মুখ
আড়ে আড়ে আমিও
নিজের ভিতর দিয়ে সুড়ঙ্গপথ খুঁড়ছি বহুদিন;
পালাবো - তোমার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার
                         পৃথিবীকে খেয়ে দেয়ার আগেই!

এত ধুলাবালি ছিলো নাকি
                   আমাদের রক্তকণিকায়?
সম্পর্কগুলির শিরায়-উপশিরায়
এত আঠা লেগে ছিলো?

স্পিরিট রেডিয়োয় কুয়াশা-কণ্ঠে বলেছিলে
যেন খুলে ফেলি যমটুপী
যেন না পরি শুয়োরমুখী মুখোশ
এভাবেই, তবে, থেকে গেলাম এতদিন?

স্বর্গের ফ্রিকোয়েন্সী ধরতে গিয়ে পাখির সঙ্গে
অহরহ ধুর কেন যে লাগছে বিবাদ!

শিকারীর সংহিতা থেকে
চলো, একটা গান বাঁটোয়ারা করি
রক্তে ডুবে যায় চাঁদিনী
                        দেয়ালগুলি পুলসেরাত;
আমি বলছি না যে
              গ্র্যাস আমার কণ্ঠহার পেঁচিয়ে ধরবে
তারপর
সাপ ও বেজির মধ্যবর্তী কোনো সত্তায় উন্নীত হবে!
ঈশ্বরের গোঁফ এঁকে ফেলেছেন বলে
                            দাবি অনেকের
              সামনেও প্রসঙ্গ তুলবে সুপ্রচুর
আমি বলছি না যে
নরকের সর্দারের হইবে আঙুর-শুকনা মণি -
সিংহদরোজায় আমার ন্যুড থাকবে কি থাকবে না
                        বিজ্ঞ আদালত জানেন!
চলো, নিশ্ছিদ্র বিহ্বলতাকে পণ্ড করি
কেননা, 
আমার জিউভা ফালি করে
                    এই বুঝি এলো
                             শাদা মাকড়ের মিছিল
পপির শুভ্রতায় মাড়ির চিহ্ন ওরা রেখে যাবে।

অতিমানবীয়
ব্লেডের আঁচড় দিয়ে রাখি
মনের ছবিতে
রোস্ট করে ফেলি কিমাকার ভাবনাগুলি -
                        কাটানা ঢোকানো রয়েছে বুকে
                            আমি প্রাচীন ভুডু
           খুলি ও কংকরের পর্বতের শরিক
যখন ভর্ৎসনা করো
মিছামিছি নামো ফ্রিক শো-তে
হেসে খুন হই!
আকণ্ঠ পাগলা মধু
দাঁতে ফেঁসে রয়েছে মহাজাগতিক গোমাংস...
নাহয় অপাংক্তেয়ই, উহ্য রই
বেগুনি অশ্রুর গরাদে কি
                          আটকাও তোমরাও?
পাললিক ডানা গুটিয়ে, বলো,
                               বসে থাকো
হ্যালির ধুমকেতুর তরে?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ