রাত্রির গায়ে জেগে ওঠে বেদনার পরবাসী হাহুতাশ —
আলোর পিঁপড়ে ঘিরে ধরে যাবতীয় ভ্রম,
উত্তাপহীন জ্বলন থেকে ছড়িয়ে পড়ে ধূসর মেলোডি,
যাত্রীছাউনির ভিন্নভাষী প্রস্থান, কতটুকু
রেখে যায় লাঞ্চিত অনুশোচনায়?
ঘুমপাথরের ঘ্রাণে ভিজে থাকে আঙুল—
কোনো কাচের মানুষ কি রেখে গিয়েছিল
করতলের বিপর্যয়ে গলতে থাকা প্রতিশ্রুতি?
ভাষা ভেঙে যায় জিভে, তবুও বাতাসে গুঞ্জন:
“ভালোবাসা এখন আড়ালভরা এক প্রেতবর্ণ কার্নিভাল।”
আমরা দাঁড়িয়ে থাকি উজ্জ্বলতম নীলাভ দৃষ্টান্তে...
একদিন মৃত্যু এলে চেনা মানুষেরা হবে কেবল
বালিঝড়ে উড়ে যাওয়া দেবদারু;
তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে যাবে
উদাসপোকাদের গ্রন্থি—
একফোঁটা উষ্ণতা, নির্গত ক্লান্তি—যা চুরি হয়েছিল
শীতঘুমের রাতে।
তোমরা কি জানো, ডানাহীন পাখিরাও কখনো কখনো
আকাশে চিহ্ন রেখে যায়, গুমোট শুশ্রূষায়...
১৮ এপ্রিল ২০২৫

2 মন্তব্যসমূহ
আপনার লিখা বরাবর সুন্দর 🖤
উত্তরমুছুনসুন্দর🌻
উত্তরমুছুন